![]()
“চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের একটা রাস্তা – পোর্ট কানেক্টিং রোড, অলংকার থেকে নিমতলা। এই রাস্তাটা ঠিক করতে বরাদ্দ ছিল কোটি কোটি টাকা। কিন্তু রাস্তা ঠিক হয়নি, ঠিক হয়েছে তিন জনের ভাগ্য! ২৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা! হ্যাঁ, আপনি ভুল শোনেননি। দিনে দুপুরে লোপাট!
১৯ অক্টোবর সোমবার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত তিন জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে।” “কিভাবে হলো এই চুরি? এটা কোনো ছিঁচকে চুরি না, এটা হলো হুবহু হলিউড সিনেমার গল্প!
প্রথমে: এক ঠিকাদার, জাকির এন্টারপ্রাইজের মালিক জাকির হোসেন। সে রানা বিল্ডার্সের এমডির স্বাক্ষর জাল করে বানালো ভুয়া আমমোক্তারনামা। নিজেকে বানালো মালিক!
দ্বিতীয়: ওই ভুয়া কাগজ নিয়ে গেল ইউসিবি ব্যাংক কুমিল্লা শাখায়। সেখানে সাবেক শাখা প্রধান সারোয়ার আলমের সহায়তায় খুলল ভুয়া অ্যাকাউন্ট। আর ওই অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নিল ২০ কোটি টাকা ঋণ! সুদে আসলে যেটা এখন ২৪ কোটি ৫৪ লাখ!
তৃতীয়: সবচেয়ে ভয়ংকর – চসিকের ভেতরের লোক! সাবেক প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। নিয়ম অনুযায়ী টাকা যাওয়ার কথা ইউসিবিতে, যাতে ঋণ শোধ হয়। কিন্তু তিনি ৬টি চেক ইস্যু করলেন এনআরবি ব্যাংকের নামে! যেখানে আগে থেকেই বসে আছে আরেক সহযোগী – এনআরবি ব্যাংকের সাবেক প্রধান তোফায়েল! ৬টি চেক, ২৪ কোটি টাকা – হাওয়া!”
“এই মামলা দায়ের করেছিল দুদক – ২০২২ সালের ১০ মে। তদন্ত শেষে চার্জশিট দিয়েছে ২০২৪ সালের অক্টোবরে। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসাইন নিজে নিশ্চিত করেছেন। আজ প্রশ্ন একটাই – প্রধান আসামি জাকির হোসেন কিভাবে হাইকোর্ট থেকে জামিনে ঘুরে বেড়ায়? আর চসিকের ভেতরে সাইফুদ্দিনের মতো আর কতজন বসে আছে?
এই ২৪ কোটি টাকা কার? আপনার, আমার, চট্টগ্রামের ৬০ লাখ মানুষের ট্যাক্সের টাকা! যে রাস্তা দিয়ে আপনার অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার কথা, সেই রাস্তার টাকা দিয়ে তারা ব্যাংক লুট করেছে! “বীর চট্টলা টিভি” এই লুটেরাদের ছাড়বে না। “বীর চট্টলা টিভি” দুদকের চার্জশিট ধরে ধরে সব মুখোশ খুলে দেবে।
“বীর চট্টলা টিভি” সব সময় সত্যের সন্ধানে নির্ভীক, প্রতিটি খবর, প্রতিটি সত্য, ঘটনার গভীরে নির্ভূল সংবাদ প্রচারে অঙ্গিকারবদ্ব।