“৩১০০ কোটি টাকার বাঁধ ভাঙছে স্রোতের আগেই! কমলনগর-রামগতিতে বি জে কোম্পানির বিরুদ্ধে বালু-জিও ব্যাগ চুরির অভিযোগ – প্যাকেজ ৩০/২-তে মহালুট, তদন্তে নামছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী!

“পেছনে মেঘনার ভাঙন, সামনে অসহায় মানুষ, আর মাঝখানে ৩১০০ কোটি টাকার বাঁধ – যা ভাঙছে, জোড়া লাগার আগেই! আপনি যে ছবিটা দেখছেন, সেটা লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতির নদী ভাঙন রোধের মেগা প্রকল্প। প্যাকেজ নং ৩০/২, বরাদ্দ ৩১০০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বি জে কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে কাজের শুরু থেকেই মারাত্মক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

আমি এস এম গিয়াস উদ্দিন সম্রাট, বীর চট্টলা টিভি – আজ ফাঁস করব কিভাবে লুট হলো ৩১০০ কোটি।” কিভাবে লুট হলো? – টেকনিক্যাল ফাঁস করছি? “স্থানীয়রা যে অভিযোগ করেছেন, আমি টেকনিক্যালি ভেঙে দিচ্ছি –

লুটের ফর্মুলা নং ১: বালু চুরি,  ডিজাইন অনুযায়ী – নদী বাঁধে প্রতি জিও ব্যাগে সরকারি মাপে বালু ভরতে হবে। অভিযোগ – সরকারি বরাদ্দের তুলনায় কম বালু ভরা হচ্ছে। মানে এক বস্তায় ১০০ কেজি বালুর জায়গায় ৭০ কেজি। বাকি ৩০ কেজির টাকা পকেটে।

লুটের ফর্মুলা নং ২: জিও ব্যাগ চুরি, ডিজাইনে বলা আছে – প্রতি স্কয়ার মিটারে ১০টা জিও ব্যাগ ডাম্পিং। বাস্তবে দেওয়া হচ্ছে ৬টা। কম ব্যাগে বাঁধ দুর্বল, তাই সামান্য স্রোতেই বাঁধ আবারও ভাঙতে শুরু করেছে – যেটা ছবিতেই দেখছেন।

লুটের ফর্মুলা নং ৩: ইটের খোয়া বদল,  ডিজাইনে বলা আছে – ব্লকে নিয়মানের ইটের খোয়া। অভিযোগ – সেখানে দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের ইটের খোয়া, যা পানিতে গলে যায়। ফলাফল? ৩১০০ কোটি টাকার বাঁধ, পানি আসার আগেই ভাঙন। আর ভিটেমাটি হারা মানুষগুলো আবারও নদী ভাঙনের আতঙ্কে।”

“এবার প্রশ্ন – কারা করলো? আমি কাউকে চোর বলছি না। আমি বলছি – সিস্টেম কিভাবে চুরি করায়।

১. ঠিকাদার – বি জে কোম্পানি: তারাই মাঠে কাজ করে। যদি কম বালু, কম জিও ব্যাগ দেয়, তাহলে প্রথম দায় তাদের।

২. সাইট ইঞ্জিনিয়ার ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো): সরকারি ইঞ্জিনিয়ারদের সই ছাড়া বিল হয় না। তাহলে কম মাল দিয়েও বিল পাস হলো কিভাবে? এখানেই তদন্ত দরকার।

কি ভাবে তদন্ত করতে হবে আমি তার রোডম্যাপ দিচ্ছি?

ধাপ ১: বুয়েট-চুয়েট দিয়ে তদন্ত। পাউবো-র নিজস্ব লোক দিয়ে না। বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টিম দিয়ে প্রতি ১০০ মিটারে জিও ব্যাগ কেটে ওজন মাপতে হবে।

ধাপ ২: ড্রোন ও ল্যাব টেস্ট। ড্রোন দিয়ে ডাম্পিং গণনা, আর ব্লকের ইটের খোয়া ল্যাবে টেস্ট – BSTI স্ট্যান্ডার্ডে পাস করে কি না।

ধাপ ৩: দুদক ও BFIU-কে ডাকা। ৩১০০ কোটি টাকার বিল থেকে কত টাকা কম মাল দিয়ে বাঁচানো হয়েছে, সেই টাকা কোথায় গেল – মানি ট্রেইল বের করতে হবে। স্থানীয়রা তাই *কমলনগর-রামগতির সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।

কমলনগর-রামগতি কোনো মানচিত্রের নাম না, এটি ২০ লাখ ভাঙনকবলিত মানুষের কান্নার নাম। তাদের রক্ষা করতে শেখ হাসিনা সরকার ৩১০০ কোটি টাকা দিয়েছিল, আজকের সরকারও সেই টাকা বহাল রেখেছে। কিন্তু সেই টাকা যদি বালু চুরি, জিও ব্যাগ চুরিতে শেষ হয়, তাহলে বাঁধ ভাঙবে না তো কী ভাঙবে?

আমি এমপি মহোদয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়কে বলব – আপনারা সশরীরে সাইটে আসুন। এই প্যাকেজ ৩০/২-তে তদন্ত কমিটি করুন। দোষী হলে বি জে কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করুন, আর নিরীহ মানুষকে বাঁচান। তা না হলে ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না। কারণ নদী কাউকে ক্ষমা করে না। আপনার এলাকায় কি এই বাঁধ ভেঙেছে? ভিডিও করে আমাকে পাঠান। আমি প্রচার করব।

আমি এস এম গিয়াস উদ্দিন সম্রাট, চেয়ারম্যান – বীর চট্টলা টিভি, সত্যের সন্ধানে নির্ভীক।”

Facebook
WhatsApp
Email
Pinterest
Telegram

“সীতাকুন্ড-সন্দ্বীপ নৌ-রুটে ST নিঝুম দ্বীপ প্রত্যাহার মানে ৪ লাখ মানুষকে সাগরে ঠেলে দেওয়া! BIWTC চেয়ারম্যান ATM আব্দুল বারী ড্যানির কাছে সন্দ্বীপ সিভিল সোসাইটির খোলা চিঠি – ১৮ কোটি মানুষের প্রশ্ন, নৌ-যান থাকবে না কি থাকবে না?

“চট্টগ্রামের ইতিহাসে প্রথম! ৪৫ কোটি নয়, বন্দর দেবে ২২৪ কোটি টাকা! ডা. শাহাদাতের একক লড়াই, হাইকোর্ট থেকে বিভাগীয় কমিশনারের আদালত – ১০৩ পৃষ্ঠার রায়ে চসিকের বিজয়, বকেয়া সহ ২৫৫ কোটি পাবে!