![]()
“আমি এখন দাঁড়িয়ে আছি মৃত্যুর উপরে। এটা চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট-কদমতলী ফ্লাইওভার। দেখুন – এই রেলিংটি মামা-ভাগিনার ধাক্কায় ভেঙে গেছে, ভেতরের রড বেরিয়ে গেছে, কংক্রিটের স্তম্ভগুলো গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গেছে।নিচে তাকান – এখান দিয়ে হাজার হাজার মানুষ, বাস, ট্রাক চলাচল করে। উপরের এই ভাঙা অংশটা যে কোনো সময় নিচে পড়বে। পড়লেই – অন্তত ১০-১৫টা মানুষ স্পট ডেড।
“আমি বীর চট্টলা টিভি থেকে বলছি না, আমি চট্টগ্রামের একজন সন্তান হিসেবে বলছি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (CDA) আপনাদের কাছে আমার ২টা প্রশ্ন –
প্রশ্ন ১: এই ফ্লাইওভারটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার? CDA বানিয়েছে, সিটি কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে দিয়েছে – এই খেলা আর কতদিন? মানুষ মরার পর ঠিক করবেন কার দায়িত্ব?
প্রশ্ন ২: বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী – জনগণের জীবনের ঝুঁকি আছে এমন স্থাপনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মেরামত বা বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। আপনাদের একটি ভুলের জন্য যদি কাল সকালে এখানে একটি বাস দুর্ঘটনা ঘটে, এর দায় কে নেবে?
“আমি কোনো রাজনীতি করতে আসিনি। আমি এসেছি চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণ বাঁচাতে। আমি চট্টগ্রামের প্রশাসক ডাঃ শাহাদাত এবং CDA চেয়ারম্যান কে অনুরোধ করছি না, আমি দাবি জানাচ্ছি – আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ভাঙা অংশে লাল কাপড় ও লাইটিং দিয়ে ঘিরে দিন এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মেরামত করুন।