
আমরা সেদিন বলেছিলাম… এর পিছনে রহস্য আছে। আজ সেই রহস্যের পর্দা খুলে গেলো। আজ আমাদের কাছে এসেছেন আসল মালিক। “কে এই আসল মালিক – ১০০% প্রমাণ”
ডকুমেন্ট ১: ১৯৭২, ২৭ জুন। স্মারক নং 9472। সরকার নিজে লিখেছে
Bangladesh International Shipping Corporation – BISC কে নিয়োগ দেওয়া হলো’। ডকুমেন্ট ২: ১৯৭৮ সালের বন্দরের Rate Schedule। এখানে BISC এর আসল সিগনেচার। ডকুমেন্ট ৩: ২০১৭ সালের ওয়ারিশ সনদ। বাবা M.N. Islam মারা যাওয়ার পর একমাত্র ওয়ারিশ মোঃ সোহেল ইসলাম।
মানে আইন কি বলে? আসল মালিক থাকতে ভুয়া কোম্পানি ৩৭ বছর বন্দরে কিভাবে কাজ করে?
জালিয়াতির গল্প – নাম সহ”
প্রথম বার: ১৯৮৯ সাল। কে? তৎকালীন জ্বালানি মন্ত্রী, জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু। কার মাধ্যমে? তার ছোট ভাই হাসান মাহমুদ চৌধুরী। কিভাবে? ক্ষমতার অপব্যবহার। অস্ত্রের ভয়। ৩০ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাবা নিজে লিখিত দিলেন – ‘আমাকে ৩ টাকার ফাঁকা স্ট্যাম্পে সিগনেচার করানো হয়েছে’।
২৫ এপ্রিল ১৯৮৯। সেই ফাঁকা স্ট্যাম্প ভরে BISC লিখে নিলো।
দ্বিতীয় বার: ১৯৯৯ সাল। আবার ৩ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প।
এরপর ৩৭ বছর..এর ইতিহাস, থানা, কোর্ট, সিনিয়র সহকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত, নোটারি পাবলিক চট্টগ্রাম,হলফনামা… দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে। বিচার পায় নাই। ২০২০ সালে বাবা কষ্ট পেয়ে মারা গেলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী, বন্দর চেয়ারম্যান, মাননীয় প্রধান বিচারপতি… আমি আইনজীবী না। আমি সংবিধানের ছাত্র, শুনেন।
অনুচ্ছেদ ৭ – প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। মন্ত্রীর ভাই না।
অনুচ্ছেদ ২১ – রাষ্ট্র নাগরিকের সম্পত্তি রক্ষা করবে।
অনুচ্ছেদ ২৭ – আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান।
*অনুচ্ছেদ ৩১ – আইনের আশ্রয়ের অধিকার। অনুচ্ছেদ ৪২ – সম্পত্তির অধিকার।
বন্দর আইন ২০২, ধারা ও ২৫ ধারায় জালিয়াতির লাইসেন্স বাতিল। ধারা ১০ এ – ৫ বছর জেল ও ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা। UNCLOS 1982, Article 94 – বন্দর রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এটা শুধু জালিয়াতি না। এটা আন্তর্জাতিক অপরাধ।
৪ দিন আগে মহামান্য হাইকোর্ট ও মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জাহাজ বন্টন নির্দেশনার না মানার অভিযোগে মেসার্স সি কোর্টশিপিং এন্ড ট্রেডিং লিমিটেড। মেসাস ইউনিয়ন টেডার্স। মেসাস প্যাসিফিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। ও মেসার্স বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল শিপ হ্যান্ডেলিং অপারেটর হিসেবে লাইসেন্সের এই ৪ টা কোম্পানির তালিকাভুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই স্থগিতাদেশের উপরে বীর চট্টলা টিভি নিউজ করার পর আজ আসল মালিক আমাদের কাছে এসেছে।
১৮ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে ৪ টা দাবি। ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম।
১/ BISC এর লাইসেন্স ১০% বৈধ ওয়ারিশ মোঃ সোহেল ইসলামের নামে নবায়ন করুন।
২/ ১৯৮৯ ও ১৯৯৯ এর জালিয়াতির বিচার বিভাগীয় তদন্ত করুন।
৩/ ১৯৮৯ থেকে আজ পর্যন্ত সকল আয়ের ক্ষতিপূরণ দিন।
৪/ বন্দরে ডিজিটাল ভেরিফিকেশন সেল গঠন করুন।
আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না। ৩৭ বছর পর হলেও ন্যায়বিচার হবে ইনশাআল্লাহ। বীর চট্টলা টিভি – সত্যের পক্ষে, সংবিধানের পক্ষে, আসল মালিকের পক্ষে। 18 কোটি জনগণের কন্ঠের কণ্ঠস্বর বীর চট্টলা টিভি