এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, অকৃতকার্য ৬ লাখ ২৩ হাজারের বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৯৮ জন। অর্থাৎ পাস করতে পারেননি প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৬ মিনিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিলেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন।

বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সর্বোচ্চ ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী।

অন্যদিকে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯৫০ জন।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২২৮ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন। সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন।

এ ছাড়া রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২০ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২১ জন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন।

 

Facebook
WhatsApp
Email
Pinterest
Telegram