হালিশহরে নতুন ওসির নির্দেশে ফুটপাত ও সড়ক থেকে সরছে অস্থায়ী দোকান।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) হালিশহর থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জয়নাল আবেদিন মন্ডল দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে কার্যক্রম শুরু করেছেন।

সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করা এবং এলাকার যানজট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাত থেকে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সরেজমিনে নগরীর হালিশহর বড়পোল মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের ওপর বসে ব্যবসা করা কয়েকজন দোকানদার নিজেদের অস্থায়ী দোকান সরিয়ে নিচ্ছেন। দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নতুন ওসির নির্দেশনার পর তারা দোকান সরিয়ে নিচ্ছেন।

করিম নামের এক দোকানদার জানান, হালিশহর থানার নতুন ওসির পক্ষ থেকে সড়কে দোকান না বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপর এক দোকানদার বলেন, সেখানে কোনো ভাঙচুর বা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি ছাড়াই তারা নিজেরাই দোকান সরিয়ে নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, “ওসি স্যার বলেছেন, তাই সরিয়ে নিচ্ছি। না সরালে যদি ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে আমাদেরই ক্ষতি হবে। তবে আগামী দিনগুলোতে কীভাবে চলব, পরিবার কীভাবে চালাব—তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”

এদিকে সচেতন এলাকাবাসীর কেউ কেউ বলছেন, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি নিম্নআয়ের এসব মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থানের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তাদের পরামর্শ, সরকারি স্কুলের মাঠগুলো সন্ধ্যার পর নির্দিষ্ট শর্তে ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহার করার সুযোগ দিলে একদিকে যেমন সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকার পথও কিছুটা সচল রাখা যেতে পারে।

হালিশহর থানার নতুন ওসি দায়িত্ব নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সদস্যদের পাঠিয়ে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার বিষয়ে সতর্কতামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়দের কেউ কেউ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও, নগরীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাতেও একই ধরনের কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি সড়ক-ফুটপাত দখলের পেছনে কোনো অনিয়ম বা অবৈধ আর্থিক লেনদেন রয়েছে কি না, তা যথাযথভাবে খতিয়ে দেখারও দাবি উঠেছে।

Facebook
WhatsApp
Email
Pinterest
Telegram

১৬ বছর ধরে একই চেয়ার! টি.ও লাইসেন্স ১৪/২০১০ এর ২০২১-২৩ কমিটির কাগজ বীর চট্টলা টিভির হাতে – ১৫৭ সমিতির নির্বাচন ও অডিট কোথায়? দুদক-এনবিআর-শ্রম অধিদপ্তরের কাছে ৪ দফা প্রশ্ন!