![]()
“বাংলাদেশের ইতিহাসে সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় মহাসমাবেশ! ৩১ অক্টোবর ২০২৬, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়াম, ঢাকা। যেখানে এক মঞ্চে ৬৪ জেলার হাজারো সাংবাদিক, যেখানে প্রধান অতিথি গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জনাব জাকারিয়া তাহের সুমন। আর সেই মঞ্চেই সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিপ্লবী মহাসচিব আলমগীর গনি।
কিন্তু সেই মঞ্চে যখন সবাই নীরব, তখন চট্টগ্রাম থেকে উঠে এলো এক বজ্রকণ্ঠ – *বীর চট্টলা টিভির চেয়ারম্যান এস এম গিয়াস উদ্দিন সম্রাট! আমি ৬৪ জেলার সাংবাদিকের কণ্ঠ হয়ে বলছি।” ‘মাননীয় মন্ত্রী, আজ আমি চট্টগ্রাম থেকে আসিনি, আমি ১৮ কোটি মানুষের বিবেক নিয়ে এসেছি।’ আমি বলেছিলাম – সাংবাদিক সুরক্ষা আইন কোনো করুণা নয়, এটি আন্তর্জাতিক আইন।
জাতিসংঘের Universal Declaration of Human Rights এর ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ বলছে – প্রত্যেকের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। জাতিসংঘের International Covenant on Civil and Political Rights এর ১৯(২) ধারা বলছে – সাংবাদিককে সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ বলছে – চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা। তাহলে আজ কেন একজন সাংবাদিককে মাঠে মার খেতে হবে? কেন মামলা খেতে হবে? কেন লাশ হতে হবে? আমি মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বলেছি – অবিলম্বে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন পাশ করুন, নাহলে কলম বন্ধ হয়ে যাবে, রাষ্ট্র অন্ধ হয়ে যাবে।”
প্রতিমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন নিজে মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন – এই দাবি যৌক্তিক। আজকের এই জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ শুধু ৪৫ বছরের অনুষ্ঠান ছিল না, এটি ছিল সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের নতুন শপথ। বীর চট্টলা টিভি। সত্যের সন্ধানে নির্ভীক।”