১৬ বছর ধরে একই চেয়ার! টি.ও লাইসেন্স ১৪/২০১০ এর ২০২১-২৩ কমিটির কাগজ বীর চট্টলা টিভির হাতে – ১৫৭ সমিতির নির্বাচন ও অডিট কোথায়? দুদক-এনবিআর-শ্রম অধিদপ্তরের কাছে ৪ দফা প্রশ্ন!

১৬ বছর ধরে একই চেয়ার! টি.ও লাইসেন্স ১৪/২০১০ এর ২০২১-২৩ কমিটির কাগজ বীর চট্টলা টিভির হাতে – ১৫৭ সমিতির নির্বাচন ও অডিট কোথায়? দুদক-এনবিআর-শ্রম অধিদপ্তরের কাছে ৪ দফা প্রশ্ন! “বীর চট্টলা টিভির হাতে এই মুহূর্তে যে ডকুমেন্টটি রয়েছে, সেটি কোনো ফটোকপি নয়, এটি বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান ট্রাক প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অফিসিয়াল তালিকা।

টি.ও লাইসেন্স নম্বর – ১৪/২০১০।
মেয়াদ – ২০২১-২০২৩।
ক্রমিক নং ৭ – মহাসচিব – চৌধুরী জাফর আহমদ, আন্তঃজেলা মালামাল পরিবহন সংস্থা।

আমাদের হাতে ২০২১-২৩ এর কাগজ আছে, আজ ২০২৬। প্রশ্ন হলো – ২০২৩ এর পর ২০২৪, ২০২৫, ২০২৬ এর নির্বাচিত কমিটি কোথায়? নির্বাচন কমিশনের তফসিল কোথায়? ভোটার লিস্ট কোথায়? বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৭৯ এর (১)এর(ক) এবং শ্রম বিধিমালা ২০১৫ এর বিধি ১৭৪ স্পষ্ট বলছে – প্রতি ২ বছর পর পর ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের নির্বাচন বাধ্যতামূলক। নির্বাচন ছাড়া কোনো মহাসচিব ২ বছরের বেশি থাকতে পারেন না। তাহলে ১৬ বছর কিভাবে? এই এক প্রশ্নেই পুরো ১৫৭ সমিতির বৈধতা আজ প্রশ্নবিদ্ধ।”

“১৫৭টি সমিতি মানে ১৫৭টি ব্যাংক হিসাব, ১৫৭টি রশিদ বই, ১৫৭টি অডিট রিপোর্ট। আইন কি বলে?

বিধান ১ – শ্রম আইন ১৯৬ ধারা: ফেডারেশনের টাকা আত্মসাৎ বা হিসাব না দিলে কমিটি বাতিল, ২ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

বিধান ২ – সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮, ধারা ৮২ ও ৮৪: মহাসড়কে চাঁদাবাজি, হয়রানি ও অতিরিক্ত ফি আদায়ের জন্য ৩ মাস থেকে ৩ বছর জেল।

বিধান ৩ – দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪, ধারা ২৬ ও ২৭: আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ১২ বছর জেল ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুযায়ী এনবিআর হিসাব তলব করতে পারে।

আমরা বলছি না তিনি অপরাধী। আমরা বলছি – ১৬ বছরের অডিট রিপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আয়কর রিটার্ন জনসমক্ষে আনুন। যদি থাকে, তিনি নির্দোষ। যদি না থাকে, তাহলে তদন্ত হোক। বীর চট্টলা টিভির কাছে অভিযোগ এসেছে, প্রমাণের দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের।”

“গত ৭২ ঘণ্টায় বীর চট্টলা টিভির হটলাইনে ৪০ জনের বেশি ট্রাক মালিক ও শ্রমিক অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। তাদের সবার একটাই দাবি – আমরা নির্বাচন চাই, আমরা হিসাব চাই। একজন মালিক বলছেন – ‘১৫৭ সমিতির নামে ফেডারেশন ফি দিই, কিন্তু রশিদ পাই না।’ আরেকজন বলছেন – ‘পদবী নবায়নের জন্য টাকা দিতে হয়।’ এই অডিওগুলো আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে। আমরা এখনই প্রকাশ করছি না, কারণ আমরা চাই শ্রম অধিদপ্তর আগে তদন্ত করুক।

আমরা সরকারের কাছে ৪ দফা দাবি পেশ করছি,

১. শ্রম অধিদপ্তর: ৭ কর্মদিবসের মধ্যে ১৫৭ সমিতির হালনাগাদ বৈধতার তালিকা ও ১৬ বছরের নির্বাচনের নথি প্রকাশ করুক।

২. রেজিস্ট্রার অফ ট্রেড ইউনিয়ন: টি.ও লাইসেন্স ১৪/২০১০ এর ২০২৩ পরবর্তী কমিটির অনুমোদন আছে কিনা জানাবেন।

৩. দুদক ও এনবিআর: ১৫৭ সমিতির ১৬ বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট তলব করুক।

৪. বিআরটিএ: ১৫৭ সমিতির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ তদন্তে একটি মনিটরিং সেল গঠন করুক।”

“চৌধুরী জাফর আহমদ বীর চট্টলা টিভি আপনাকে সম্মান করে। আপনি ১৬ বছর সংগঠনকে সময় দিয়েছেন। এখন সময় এসেছে হিসাব দেওয়ার। আপনার কাছে যদি বৈধ কাগজ থাকে, আপনি আসুন। বীর চট্টলা টিভি আপনাকে লাইভে ১ ঘণ্টা সময় দেবে। আর যদি কাগজ না থাকে, তাহলে ১৫৭ সমিতির মালিকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে অবিলম্বে নির্বাচন দিন।

Facebook
WhatsApp
Email
Pinterest
Telegram

১৬ বছর ধরে একই চেয়ার! টি.ও লাইসেন্স ১৪/২০১০ এর ২০২১-২৩ কমিটির কাগজ বীর চট্টলা টিভির হাতে – ১৫৭ সমিতির নির্বাচন ও অডিট কোথায়? দুদক-এনবিআর-শ্রম অধিদপ্তরের কাছে ৪ দফা প্রশ্ন!