নলকূপের রাজনীতি!তৃণমূল হচ্ছে হুকুমের গোলাম নেতার অর্ডারে জীবন শেষ নেতা হয় হাজার কোটির মালিক – ১৮ কোটির ঘুম ভাঙার সময় এসেছে?

“একজন কৃষক ইচ্ছা করে মরা শুয়োর ফেলল নলকূপে। কেন? কারণ সে জানে হাজার ইঁদুর গন্ধ পেয়ে পাগল হয়ে লাফ দিবে। দিলো। খেলো।মরা শুয়োর টাকে খেয়ে  শেষ করলো তারপর? খাবার নাই। রাস্তা নাই। উপরে উঠার উপায় নাই।  কারণ নলকূপটি ছিল খুবই গভীর  তখন শুরু হলো আসল খেলা। ইঁদুরে ইঁদুরে কামড়াকামড়ি। ক্ষুধার যন্ত্রণায় এক ইন্দুর আর এক ইঁদুর  কে খেতে লাগলো, শেষে বাঁচলো একটা। সবচেয়ে নোংরা, সবচেয়ে লোভী। হিংস্র ও ভয়ংকর আকৃতির চেহারা কৃষক রশি ফেলে তুলল। কারণ সে জানে – এইটা আর ফসল খাবে না। এইটা নিজের বংশ খেয়ে শেষ করবে।`এইটা গল্প না বস। এইটা বাংলাদেশের ৫৩ বছরের রাজনীতি।”

“নলকূপ = ১ লক্ষ ৭০ হাজার বর্গ কিলোমিটারের বাংলাদেশ।
মরা শুয়োর = পদ, টেন্ডার, চাঁদা, ক্ষমতার টোপ।
ইঁদুর = তুমি, আমি, তৃণমূলের কর্মী, ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক।

উপরের মহলে এসি রুমে বসে প্ল্যান হয়। “এই জেলায় এই গ্রুপকে এই টোপ দাও। ঐ ওয়ার্ডে ঐ গ্রুপকে ঐ টোপ দাও”। তারপর? তারপর তারা চা খায় আর টিভিতে দেখে -“দেখো কিভাবে নিজেরা নিজেরা মারামারি করতেছে”।

আর দিনশেষে কি হয়? গরিব গরিবই থেকে যায়, গাধার মত খাটার পরেও তার পকেটে ১০০ টাকা থাকে না।অথচ আন্দোলনে কারা তৃণমূল সামনের সারিতে কারা তৃণমূল মামলা খাই করা তৃণমূল জেলে যাই কারা তৃণমূল কষ্ট পাই কারা তৃণমূল দিন শেষে তৃণমূলকে মূল্যায়ন করা হয়, কিন্তু নেতা? নেতা ৫ বছরে হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়।

যত বিভক্তি, তত লাভ।  যত অশান্তি, তত লুটপাটের সুবিধা। যত গরিব, তত ভোটের দাস। এইটাই “Divide and Rule” এর নতুন ভার্সন।”`

“ইতিহাস সাক্ষী দেয়।
১৭৫৭: ইংরেজরা বাংলাকে ভাগ করে শাসন করেছে।
১৯৪৭: ধর্মের নামে ভাগ।
১৯৭১: পাকিস্তানিরা “বাঙালি-বিহারি” লাগিয়ে দিয়েছে।
২০২৬: এখন “কমিটি-গ্রুপ-জেলা-উপজেলা” লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সংবিধান কি বলে?
অনুচ্ছেদ ৭: “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ”। জনগণ না, ১০ জন না।
অনুচ্ছেদ ১: “গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা”। মারামারির নিশ্চয়তা না।
অনুচ্ছেদ ১৫: “কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি”করা । বেকার বানানোর ফ্যাক্টরি না।

বুদ্ধিজীবী সলিমুল্লাহ খান বলেন: ‘যে জাতি নিজের পায়ে কুড়াল মারে, সে জাতির শত্রুর দরকার হয় না’।  নারী নেত্রী খুশি কবির বলেন: ‘ঘরের মানুষ ঘরের মানুষকে শত্রু ভাবলে, ঘর একদিন কবরে পরিণত হয়’।”`
: ৩ দফা আল্টিমেটাম

`”১৮ কোটি মানুষ আজকে ৩টা জিনিস শিখুক:

১. ফাঁদ চিনো: যে তোমাকে “ওরা খারাপ” বলে, সে-ই প্রথমে মরা শুয়োর ফেলেছে।
২. রশি ধরো: একা উঠা যাবে না। সব ইঁদুর একসাথে লাফ দিলে নলকূপ ভেঙে যাবে।
৩. হিসাব চাও: গাধার খাটুনি তুমি খাটলা, হাজার কোটি কার পকেটে গেল?

জাতীয় দাবি:  
দফা ১: অবিলম্বে সকল রাজনৈতিক দলে “চাঁদা-পদ বাণিজ্য” বন্ধ। নেতাদের সম্পদের অডিট রিপোর্ট প্রকাশ।
দফা ২: ৩১ দফার আলোকে “জাতীয় ঐক্য কমিশন”। দল-মত নির্বিশেষে।
দফা ৩: তৃণমূল পর্যন্ত সংবিধান পাঠ বাধ্যতামূলক। যাতে মানুষ বুঝে ক্ষমতার মালিক কে।”`

`”শহীদ জিয়া বলেছিলেন: ‘আমরা যদি নিজেরা নিজেরা মারি, বাইরের শত্রু লাগবে না’।  দেশনায়ক তারেক রহমান ৩১ দফায় বলেছেন: ‘রাষ্ট্র মানে মানুষ, দল না’।

মনে রেখো, নলকূপের শেষ ইঁদুরটা বেঁচে ছিল। কিন্তু তার কোনো জাত ছিল না।  আজকে তুমি যদি ভাইয়ের বিরুদ্ধে লাগো, কালকে তোমার ছেলের বিরুদ্ধে লাগবে।

সময় আছে। নলকূপ ভাঙো। ঐক্য করো।  নাহলে একদিন রশি আসবে, কিন্তু তোলার মতো কেউ থাকবে না। বীর চট্টলা টিভি আমরা আয়না দেখাই। ভাঙি না। সত্যের সাথে আপোষ নাই।

Facebook
WhatsApp
Email
Pinterest
Telegram