![]()
দিদার আলম | প্রতিবেদন
সংগ্রাম, অধ্যবসায় ও স্বপ্ন পূরণের অদম্য ইচ্ছাকে সঙ্গী করে সাফল্যের পথে এগিয়ে চলেছেন নবিউল ইসলাম ফাহিম। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত বিএনসিসি প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত থেকে নিজেকে শৃঙ্খলাবদ্ধ, দায়িত্বশীল ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলেছেন তিনি। সেই পরিশ্রম ও প্রস্তুতির ফল হিসেবে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের ৬৩তম ব্যাচে কারারক্ষী পদে নিয়োগ পেয়েছেন ফাহিম।
নবিউল ইসলাম ফাহিমের পিতা রফিকুল ইসলাম এবং মাতা নুর নাহার বেগম। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে পরিবারের বড় সন্তান ফাহিম। ছোটবেলা থেকেই পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধের পাশাপাশি দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন লালন করতেন তিনি।
শিক্ষাজীবনে শুধু পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি ফাহিম। অবসর সময়ের একটি বড় অংশ তিনি ব্যয় করেছেন বিএনসিসি প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন কার্যক্রমে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও দায়িত্ববোধ অর্জন করেন তিনি। যা পরবর্তী সময়ে তাঁর ব্যক্তিত্ব ও ক্যারিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সম্প্রতি ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ফাহিম। এর পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে নিয়মিত প্রস্তুতি চালিয়ে যান। কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে অবশেষে আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের ৬৩তম ব্যাচে কারারক্ষী পদে নিয়োগ পান তিনি।
ফাহিমের এই অর্জনে আনন্দিত তাঁর পরিবার ও স্বজনরা। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনার পাশাপাশি বিএনসিসি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
তবে এখানেই থেমে থাকতে চান না ফাহিম। সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান তিনি। তাঁর এই পথচলা অন্য তরুণদেরও পড়াশোনার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, প্রশিক্ষণ ও আত্মউন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে প্রত্যাশা পরিবারের।
নবিউল ইসলাম ফাহিমের গল্প তাই কেবল একটি চাকরি পাওয়ার গল্প নয়; এটি স্বপ্ন দেখা, নিজেকে প্রস্তুত করা এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার গল্প।